|
স্থপতি মেরিনা তাবাসসুমকে স্থাপত্যশিল্পে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৬ সালের একুশে পদক বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একজন স্থপতি, যিনি ২০১৬ সালে বাইতুর রউফ মসজিদের জন্য আগা খান অ্যাওয়ার্ড এবং ২০২৫ সালে তাঁর উদ্ভাবনী ‘খুদি বাড়ি’ (Khudi Bari) প্রকল্পের জন্য বিশেষ সম্মাননা অর্জন করেন। পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নকশা করা এবং স্থানীয় উপাদান ব্যবহারের জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত। মেরিনা তাবাসসুম বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা স্থপতি। তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (BUET) থেকে স্থাপত্যবিদ্যায় স্নাতক সম্পন্ন করেন। তাঁর স্থাপত্য দর্শন হলো “স্থাপত্য হবে মাটির কাছাকাছি এবং মানুষের প্রয়োজনে।” তিনি ‘মেরিনা তাবাসসুম আর্কিটেক্টস’ (MTA)-এর প্রধান স্থপতি হিসেবে কাজ করছেন। |
|
|
একুশে পদক বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা। সরকার বিশ্বখ্যাত স্থপতি মেরিনা তাবাসসুমসহ আরও আটজন বিশিষ্ট নাগরিক এবং বাংলাদেশের একটি সংগীত দলকে তাঁদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে অসাধারণ অবদানের জন্য এ বছরের একুশে পদক প্রদানের জন্য মনোনীত করেছে। অন্য সম্মানপ্রাপ্তরা হলেন - চলচ্চিত্রে ফরিদা আখতার ববিতা, চারুকলায় প্রফেসর মো. আবদুস সাত্তার, সংগীতে প্রয়াত আইয়ুব বাচ্চু ও ব্যান্ড ওয়ারফেজ, নৃত্যে অর্থী আহমেদ, নাটকে ইসলাম উদ্দিন পালাকার, সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান, শিক্ষায় প্রফেসর ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার, এবং ভাস্কর্যে তেজোস হালদার জশ। |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
একুশে পদক ২০২৬-এর জন্য নির্বাচিতদের নাম ৫ ফেব্রুয়ারি ঘোষণা করা হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তালিকা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মনোনয়নগুলো চূড়ান্ত করা হয়েছে। |
| প্রতিবেদক: স্থপতি ফাইজা ফাইরুজ |